Tourism or Parjatan Place of Chittagong | Bangla Printing View
Untitled Document
অবসর সময়ে ভ্রমণ করুন ও দেশ সম্পর্কে জানুন - পর্যটনবিডি.কম

 

Travel at leisure and learn about the country - parjatanbd.com

From this page, tourists can be informed about the travel information of Chittagong district. Which will come in handy in their travels. Not only this, with the name of each travel destination there is an hyperlink of an informative video which will give a clear idea about the place by watching the video and will make them interested in traveling.

Description AboutTourism or Parjatan Place of Chittagong

এ পৃষ্ঠা থেকে ট্যুরিষ্ট বা পর্যটক চট্রগ্রাম জেলার ভ্রমন তথ্য সম্পর্কে অবগত হতে পারবে। যা তাদের ভ্রমনের ক্ষেত্রে কাজে আসবে। শুধু তাই নয় এখনকার প্রতিটি ভ্রমন স্থানের নামের সাথে একটি তথ্যবহুলভিডিও-এর হাইপারলিংক করা আছেযার মাধ্যমে ভিডিও দেখে স্থান সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাবে ও ভ্রমণ সম্পর্কে তারা আগ্রহীহয়ে উঠবে।

কোর্ট বিল্ডিং

লালদিঘি এলাকায় পরীর পাহাড়ে আছে ঐতিহাসিক কোর্ট বিল্ডিং। আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ ভেঙ্গে উপরে উঠলেই দেখতে পাবেন প্রাচীন এই ভবনটি। তবে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি দিন দিন হারাতে বসেছে তার জলুস। একে সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করে এর কোনো অংশ ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও নির্মাণ করা হয়েছে নতুন স্থাপনা

 

ওয়ার সিমেট্রি
 

শহরের গোল পাহাড়ের মোড় থেকে একটু সামনে বাদশা মিঞা সড়কে রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রাণ বিসর্জন দেয়া ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, ভারত, মিয়ানমার , পূর্ব এবং পশ্চিম আফ্রিকা, নেদারল্যান্ড ও জাপানের ৭৫৫ জন সৈনিকের সমাধি আছে এই জায়গাটিতে। দুই ইদ ছাড়া সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারা বছরই খোলা থাকে এ জায়গাটি।

 

১৯১৩ সালে ইংরেজদের প্রতিষ্ঠিত সার্কিট হাউস এখন জিয়া স্মৃতি জাদুঘর। ১৯৮১ সালের ৩০ মে বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ সার্কিট হাউসের ৪ নং কক্ষে নির্মিতভাবে ঘাতকের গুলিতে নিহত হন।

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর

 

শহরের আগ্রাবাদ এলাকায় রয়েছে চট্টগ্রাম জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর। ১৯৭৪ সালের ৯ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় এ জাদুঘর। ১১ গ্যালারি সমৃদ্ধ এ জাদুঘরে সেশের ২৯টি ক্ষুদ্র জাতির উদ্ভব, বিকাশ ও বৈচিত্র্যময় জীবনযাপনের নানান দিক প্রদর্শিত হচ্ছে। জাপানের টোকিওর পরে এশিয়ায় এধরনের জাদুঘর দ্বিতীয়টি হল এটি।

শাহ আমানত (র.) দরগা
 

শহরের লালদীঘির পূর্বপাশে রয়েছে এ অঞ্চলের বিখ্যাত দরবেশ শাহ আমানত (র.) দরগা। ধারণা করা হয় অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে বিহার থেকে তিনি চট্টগ্রামে আসেন। এখানে তিনি ছোট একটি কুঁড়েঘরে থাকতেন এবং জজকোর্টে পাখা টানার চাকরি করতেন

চন্দনপুরা মসজিদ
 

শহরের সিরাজউদ্দৌলা সড়কে অবস্থিত চন্দনপুরা হামিদিয়া তাজ মসজিদ। অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত এ মসজিদটির তৈরি করেন লক্ষ্ণৌ থেকে আসা কারিগররা। মসজিদটির উপরে পিতলের তৈরি ১৫টি গম্বুজ মসজিদটির স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্যের মুল আকর্ষণ।

কৈবল্যধাম

হিন্দু সম্প্রদায়ের পুরোনো একটি তীর্থস্থান এটি। ১৮১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এ মন্দিরটি প্রায় ১৮ একর পাহাড়ি জায়গা নিয়ে বিস্তৃত। হাজারো ভক্তের পদচারণায় সর্বদায় মুখর থাকে এ জায়গাটি।

চেরাগী পাহাড়
 

এ পাহাড়ের আরেক নাম বাটালি ছিল। এর চূড়ায় উঠলে চট্টগ্রাম শহরের বড় অংশই দেখা যায়। কথিত আছে ইসলাম প্রচারের জন্য বদর আউলিয়া এ পাহাড়েই প্রথম আ

বায়েজীদ বোস্তামী (র.) দরগা 

 

শহর থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের পাশে নাসিরাবাদ এলাকায় রয়েছে হজরত বায়েজীদ বোস্তামী (র.) দরগা। প্রতিদিন শত শত ধর্ম্প্রাণ মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকে এ জায়গাটি।

 

ষর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার উত্তরে রয়েছেন সবুজ ঘেরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। প্রায় ৫১২ হেক্টর জায়গাজুড়ে পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে এ ক্যাম্পাসে বেড়াতে ভালোলাগবে সবার।

পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত

 

শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত। এখানে দাঁড়িয়ে বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ জাহাজগুলোকে সন্ধ্যার পরে দেখা যায় সমুদ্রের মাঝে একটি আলো ঝলমলে শহরের মতো। বন্দর রোড ধরে গেলে নতুন এয়ারপোর্ট এলাকাটিও ঘুরে দেখে আসতে পারেন। এয়ারপোর্টের সামনে কর্ণফুলী নদীর দৃশ্যটাও মনোহর। শহর থেকে পতেঙ্গার বেবিট্যাক্সি, বাস ও টেম্পুতে

কর্ণফুলী নদী  

 

রাঙ্গামাটি ও কাপ্তাইয়ের পাশ দিয়ে বয়ে চলা এই নদীকে কেন্দ্র করেই একসময় গড়ে উঠেছিল চট্টগ্রাম শহর। ভারতের লুসাই পাহাড় থেকে এ নদীর উৎপত্তি। চট্টগ্রাম বন্দর, কর্ণফুলী পেপার মিলসহ নানান স্থাপনা এ নদীর তীরেই । ২০১০ সালে কুর্ণফুলীতে গড়া হয়েছে আধুনিক শাহ আমানত সেতু। সাম্পান কিংবা ইঞ্জিন নৌকায় চড়ে ভ্রমণ করা যায় কর্ণফুলীর বুকে।

হালদা নদী  

 

পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পর্বতমালা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর-পূর্ব কোণ থেকে চট্টগ্রামে প্রবেশ করেছে। কালুরঘাটে এসে নদীটি মিশেছে কর্ণফুলীতে। বর্ষা মৌসুমের আগে হালদা নদীতে প্রাকৃতিকভাবে রুই-কাতলা মাছের প্রজনন হয়। প্রায় ৮০.৪৫ কিমি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি তাই দেশের অন্যান্য নদী থেকে ব্যতিক্রম।

সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক  

 

চট্টগ্রাম শহর থেকে ৩৭ কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত দেশের প্রথম ইকোপার্ক। সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড় ও এর আশপাশের  এলাকায় ২০০৪ সালে গড়ে তোলা হয়েছে এ ইকোপার্ক। পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে নানান প্রজাতির গাছপালা ছাড়াও এ পার্কের ভেতর রয়েছে কয়েকটি ছোট-বড় পাহাড়ি ঝরনা। চট্টগ্রামের অলঙ্কার মোড় থেকে বাসে ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা যাওয়া যায়। 

চন্দ্রনাথ পাহাড়

 

সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের পাশেই রয়েছে চন্দ্রনাথ পাহাড়। ইকোপার্কের প্রায় এক কিলোমিটার সামনে সীতাকুণ্ড বাজারের ভেতর থেকে ছোট্ট একটি সড়ক চলে গেছে পাহাড়ের দিকে। এ পাহাড়ের সর্বোচ্চ চূড়ার উচ্চতা ৩৬৫ মিটার। পাহাড়ের চূড়ায় ওঠার পথটিও বেশ দুর্গম। বাজার ছেড়ে কিছুক্ষণ হাঁটার পরেই পথটি ক্রমশ উপরের দিকে ওঠে গেছে। চলতি পথেএখানে দেখা যাবে ইত্যাদি। এরপরে বেশ কিছুটা পথ ওঠার পরে আছে ভবানী মন্দির। ভবানী মন্দির ছেড়ে কিছু দূর গেলেই দেখা মিলবে শয়ভুনাথ মন্দিরের। এখান থেকে হাঁটতে হাঁটতে সামনেই আছে ঝিরিঝিরি ছন্দে বয়ে চলা একটি ছোট্ট পাহাড়ি ঝরনা। ঝরনা ছেড়ে সামনের পথ খুবই দুর্গম।

পাহাড় কেটে বানানো সিঁড়িটির ধাপগুলো বেশ উঁচু উঁচু। একটু উঠলেই হাঁপিয়ে যেতে হয়। কিছুটা পথ কষ্ট করে উঠলেই প্রাচীন দুটি বটবৃক্ষের দুটি মন্দির। পুরোনো মন্দিরটির নাম বিরূপাক্ষ মন্দির। এ জায়গাটির উচ্চতা প্রায় দুশ মিটার। এখান থেকে দক্ষিণ দিকে তাকালে দেখা মেলে বিস্তীর্ণ বঙ্গোপসাগর। এখান থেকে পূর্বদিকে পথ চলে গেছে পাহাড়ের একেবারে চূড়ায় চন্দ্রনাথ মন্দিরে। এখানে দাঁড়িয়ে চারপাশের দৃশ্য বড়োই মনোহর। প্রতি বছর শিব চতুদর্শী পূজা উপলক্ষে তিন দিনের মেলা বসে সীতাকুণ্ডে। এ সময়ে লাখো হিন্দু ভক্তের পাহাড় বেয়ে চন্দ্রনাথ মন্দিরে ওঠার দৃশ্য দূর থেকে পিপড়ার সারির মতো মনে হয়। যাদের পাহাড়ের ওঠার সমস্যা আছে নিজস্ব গাড়ি কিংবা সিএনজি চালিত অটো রিকশা নিয়ে ইকোপার্কের ভেতরের সড়ক ব্যবহার করে যেতে পারেন চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায়।

বাড়বকুণ্ড

 

সীতাকুণ্ড এলাকায় বাড়বকুণ্ড পাহাড়ের একটি উষ্ণ প্রস্রবণ বাড়বকুণ্ড। ছোট এ জলপ্রপাতটিতে সব সময় আগুন জ্বলতে দেখা যায়। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলে বাড়বকুণ্ড পাহাড়ের এ উষ্ণ প্রস্রবণের দেখা মিলবে।

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি
 

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি এলাকায় মনোরম একটি জায়গায় অবস্থিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি। সবুজ পাহাড়ে ঘেরা মিলিটারি একাডেমি ঘুরে দেখা যায় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে। বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ভাটিয়ারিতে এর ঠিকানা হয় ১৯৭৬ সালের মার্চ মাসে।

পারকি সমুদ্রসৈকত
 

চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার  দূরে আনোয়ারা উপজেলার গহিরা এলাকায় রয়েছে মনোরম একটি সমুদ্রসৈকত পারকি। প্রায় পঁচিশ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সৈকতের তীরজুড়ে আছে বিস্তীর্ণ ঝাউবন। সমুদ্রের সৌন্দর্যের পাশপাশি এখানে উপভোগ করা যাবে জেলেদের মাছ ধরার নানান কৌশল ও তাদের জীবনধারা। শহর থেকে পারকি সৈকতে যেতে অটোরিক্সায় যাওয়া যাবে।

বাঁশখালী সৈকত
 

শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আরেকটি সুন্দর সমুদ্রসৈকত বাঁশখালী। ঝাউগাছে ঘেরা দীর্ঘ একটি সমুদ্রসৈকত আছে এখানে। শহরের বহদ্দারহাট থেকে বাসে এসে নামতে হবে মুনছুরিয়া বাজার। সেখান থেকে রিকশায় সমুদ্রসৈকত। বাসে যেতে সময় লাগে এক ঘণ্টার মতো।

বাঁশখালী ইকোপার্ক
 

বাঁশখালী সমুদ্রসৈকতের পাশেই আরেকটি পরিকল্পিত পর্যটন কেন্দ্র বাঁশখালী ইকোপার্ক। লেক ঘেরা এ ইকোপার্কে আছে দেশের সবচেয়ে বড় ঝুলন্ত সেতু, উঁচু পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, বিশ্রামাগার ইত্যাদি। এর কাছাকাছি দুরত্বে আছে চুনতি অভয়ারণ্য। চট্টগ্রাম থেকে এক দিনেই জায়গাগুলো দেখে আসা যায়।

সন্দ্বীপ
 

মেঘনার মোহনায় অবস্থিত চট্টগ্রাম জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ। প্রায় ৭৬২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ দ্বীপে মূলত জেলেদের বসবাস। চট্টগ্রাম থেকে শীত মৌসুমে সি-ট্রাক ও ইঞ্জিনচালিত নৌকায় যাওয়া যায় এ দ্বীপে। থাকার জন্য কিছু সাধারণ মানের হোটেল আছে সন্দ্বীপ উপজেলা শহরে।

লালদীঘি

কোর্ট বিল্ডিংয়ের কাছেইরয়েছে ঐতিহাসিক লালদীঘি। লালদীঘি নামের পেছনে ছোট্ট একটি ইতিহাস রয়েছে লোকমুখে। এই জায়গায় অনেক আগে ছিল চোট্ট একটি জলাশয়। ব্রিটিশ শাসনামলের শুরুতে এই জলাশয় খুঁড়ে রূপ দেয়া হয় দিঘিতে। দিঘির পাড়ে ছিল বড় বড় কৃষ্ণচূড়া গাছ। ফুল ফোটার মৌসুমে ফুলে ফুলে লালা হয়ে যেত দিঘির পাড়। সম্ভবত সেজন্যই এর নাম হয়েছে লালদীঘি। আবার অনেকের মতে দিঘির পূর্ব দিক&am

 

Welcome