Tourism or Parjatan Place of Brahmanbaria | Bangla Printing View
Untitled Document
অবসর সময়ে ভ্রমণ করুন ও দেশ সম্পর্কে জানুন - পর্যটনবিডি.কম

Description AboutTourism or Parjatan Place of Brahmanbaria

এ পৃষ্ঠা থেকে ট্যুরিষ্ট বা পর্যটক ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়া জেলার ভ্রমন তথ্য সম্পর্কে অবগত হতে পারবে। যা তাদের ভ্রমনের ক্ষেত্রে কাজে আসবে। শুধু তাই নয় এখনকার প্রতিটি ভ্রমন স্থানের নামের সাথে একটি তথ্যবহুলভিডিও-এর হাইপারলিংক করা আছেযার মাধ্যমে ভিডিও দেখে স্থান সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাবে ও ভ্রমণ সম্পর্কে তারা আগ্রহীহয়ে উঠবে।

কাল ভৈরব মূর্তি

 

কালভৈরব সদরের মেড্ডায় রয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান। এখানে একটি মন্দিরের ভেতরের আছে কালভৈরব মূর্তি। এটি একটি বৃহত্তম শিব মূর্তি। জানা যায় প্রায় দুশ বছর আগে দুর্গাচরণ আচার্য নামের এক মৃৎশিল্পী স্বপ্নদ্রষ্ট হয়ে এ মূর্তিটি তৈরি করেন। আর এ মন্দিরের জায়গা দান করেছিলেন সরাইলের বিখ্যাত জমিদার নূর মোহাম্মদ। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকবাহিনী মূর্তীটি ভেঙ্গে ফেললে পরবর্তীতে এটিকে পুননির্মাণ করা হয়।

শহীদ স্মৃতি সৌধ
 

শহরের ফারুক পার্কের ভেতরে আছে শহীদ স্মৃতিসৌধ। স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রাণ বিসর্জন দেয়া শহীদদের স্মরণে সুন্দর নির্মাণশৈলীতে এ স্মৃতিসৌধটি ১৯৮৫ সালে তৈরি করা হয়।

 

সরাইল থানার বারিউরা বাজারের কাছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশেই ইট নির্মিত প্রাচীন সেতুটি হাতির পুল নামে পরিচিত। এ পুলটি ষোল শতকে নির্মিত। জনশ্রুতি আছে জমিদাররা হাতির পিঠে চড়ে এ পুল পার হতেন বলে এর নাম হাতিরপুল। এর নামকরণ নিয়ে আরেকটি জনশ্রুতি হল, জমিদাররা এ পথে চলাচলের সময় এ পুলের কাছেই হাতিগুলোকে বিশ্রাম দিতেন।

কেল্লা শহীদ মাজার

 

আখাউড়া থানার খড়মপুরে অবস্থিত হজরত সৈয়দ আহম্মেদের সমাধি কেল্লা শহীদ মাজার নামে পরিচিত। স্থানীয়রা একে খড়মপুর মাজারও বলে থাকেন। জনশ্রুতি আছে হজরত শাহজালালের (র.)  সঙ্গে সিলেটে যে ৩৬০ জন শিষ্য এসেছিলেন সৈয়দ আহম্মদ তাঁদেরই একজন। তরফ রাজ্যের রাজা আচক নারায়ণের সঙ্গে হজরত শাহাজালালের সেনাপতি নাসিরউদ্দিন যে যুদ্ধ পরিচালনা করেন সে যুদ্ধে সৈয়দ আহম্মদ শহীদ হন। তিতাস নদীর স্রোতে তাঁর খণ্ডিত মস্তক ভেসে এলে তাঁকে এখানে সমাহিত করা হয়।

তিতাস নদী
 

মেঘনার একটি শাখা নদী। আখাউড়া, আশুগঞ্জ কিংবা নাসিরনগরে গেলে তিতাসের দেখা পাওয়া যাবে। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ৯৮ কিলোমিটার। ভারতের আগরতলার পশ্চিম দিক দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীটি আখাউড়া দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

বড় বাড়ি
 

জেলার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর গ্রামে তিতাস নদীর তীরে সুরম্য এক জমিদারবাড়ি। বিশাল আকৃতির দ্বিতল এ জমিদারবাড়িটিতে প্রায় একশটি কক্ষ আছে। দোতলায় আছে একটি বড় আকৃতির নাচঘর। বাড়ির অভ্যন্তরে কয়েকটি কক্ষ নিয়ে ছিল মন্দিরঘর। তবে এগুলোর সবই এখন ধ্বংসের পথে। প্রায় চল্লিশটির মতো পরিবার বাড়িটি দখল করে সেখানে বসবাস করছে। বাড়িটির সামনে খোলা আঙিনা। মূল প্রবেশপথ বরাবর তিতাসের তলদেশে চলে গেছে সান বাঁধানো ঘাটলা। তিতাসের তীর ধরে খাড়া পাকা প্রাচীর বলে দেয় বাড়িটির সেকালের শক্ত নিরাপত্তার কথা।

হরিপুরের এ বড়বাড়ির নির্মাণ ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক  কোনো তথ্য পাওয়াতবে বাড়ির উত্তর-দক্ষিণে দুটি মঠের উত্তরটির নামফলক থেকে জানা যায় এ বাড়ির জমিদার কৃষ্ণপ্রসাদ রায় চৌধরী বাংলা ১৩৪৩ সালে ১২ চৈত্র এ মঠটি নির্মাণ করেন। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের মাধবপুর বাজার থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পশ্চিমে গেলে পাওয়া যাবে তিতাস পাড়ের এ বড়বাড়ি।

উলচাপড়া মসজিদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে পাশে উলচাপড়া গ্রামে একটি প্রাচীন এক গম্বুজবিশিষ্ঠ মসজিদ। দৈর্ঘ্যে ৫৩ ফুট এবং প্রস্থে ২২ ফুট। এ মসজিদটির দেয়াল চার ফুট পুরু। মসজিদটির অভ্যন্তরভাগ অত্যন্ত সুক্ষ্ম কারুকাজে সমৃদ্ধ। মসজিদের ভেতর ফারসি ভাষায় একটি শিলালিপি থাকলেও তা পাঠোদ্ধার করা যায়নি।

নাটঘর মন্দির

নবীনগর থানার নাটঘর গ্রামে প্রাচীন শিব মন্দিরটি নাটঘর মন্দির নামে পরিচিত। প্রায় তিনশ বছর আগে গ্রামে একটি পুকুর খননের সময় পাওয়া শিব মন্দিরটি বিগ্রহের মাধ্যমে এখানে শিব মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। কালো পাথরে তৈরি এ বিগ্রহের উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুট। প্রতি বছর শিব চতুর্দীতে এখানে তিন দিন ব্যাপী মেলা বসে।

বিদ্যাকুট সতীদাহ মন্দির

নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামে অবস্থিত প্রাচীন একটি মন্দির। বিদ্যাকুটের বিখ্যাত হিন্দু দেওয়ান এ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে জানা যায়। এ মন্দিরে একসময় সতীদাহ করা হত। ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ হলে এ মন্দিরেও সতীদাহ বন্ধ হয়। এখানে সর্বশেষ ১৮৩৫ সালে দাহ করা নারীর নাম মন্দিরের ভেতরে শ্বেত পাথরের ফলকে লেখা ছিল। কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ফলকটি নষ্ট হয়ে যায়।

লাঙ্গলের বিল

জেলার নাসিরনগর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে অবস্থিত লাঙ্গলের বিল। এ বিলের পাশ দিয়েই বয়ে গেছে তিতাস। ভরাবর্ষায় তিতাস আর এ বিল মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। বড়বাড়ি থেকে তিতাস নদী ধরে সামান্য দক্ষিণে গেলেই লাঙ্গলের বিল শুরু।

 
 

Important Tourism Information of Bangladesh

by md. abidur rahman | parjatanbd | A Home of Tourism | Information Written and Managed By : Sumaiya Yeasmin | সুমাইয়া ইয়াসমি
 

Welcome