Welcome Guest | Login | Signup


Tourism or Parjatan Place of Dinajpur | Bangla
Untitled Document
অবসর সময়ে ভ্রমণ করুন ও দেশ সম্পর্কে জানুন - পর্যটনবিডি.কম

Description AboutTourism or Parjatan Place of Dinajpur

এ পৃষ্ঠা থেকে ট্যুরিষ্ট বা পর্যটক দিনাজপুর জেলার ভ্রমন তথ্য সম্পর্কে অবগত হতে পারবে। যা তাদের ভ্রমনের ক্ষেত্রে কাজে আসবে। শুধু তাই নয় এখনকার প্রতিটি ভ্রমন স্থানের নামের সাথে একটি তথ্যবহুলভিডিও-এর হাইপারলিংক করা আছেযার মাধ্যমে ভিডিও দেখে স্থান সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাবে ও ভ্রমণ সম্পর্কে তারা আগ্রহীহয়ে উঠবে।

দিনাজপুর রাজবাড়ি

 

দিনাজপুর শহরের উত্তর-পূর্ব পাশে অবস্থিত ধ্বংসপ্রায় এ রাজবাড়িটি। প্রবেশপথের শুরুতেই ডানদিকে চোখ পড়বে ছোট্ট একটি প্রাচীন কৃষ্ণ মন্দির, বাঁ দিকে প্রাচীন রাজপ্রসাদের ধ্বংসাবশেষ। একটু ভেতরে রয়েছে আরেকটি মন্দির। প্রায় ১৭ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত এ রাজবাড়িতে একসময় জমিদারবাড়ির প্রধান তিনটি মুল অংশ _আয়না মহল, রানী মহল ও ঠাকুরবাড়ি মহল ছাড়াও বেশ কয়েকটি মন্দির, অতিথিশালা, চিকিৎসালয়, রাজ কর্মচারীদের আবাসস্থল, দিঘি ইত্যাদি ছিল। এগুলোর বেশিরভাগই নির্মাণ করেছিলেন মহারাজা প্রাণনাথ ও তাঁর পোষ্যপুত্র রামনাথ অষ্টাদশ শতাব্দীর কোনো এক সময়। এ সব কিছুই এখন ধ্বংসস্তূপ হয়ে পড়ে আছে। দিনাজপুর শহর থেকে এখানে রিকশায় আসতে সময় লাগে আধা ঘন্টার মতো।

চেহেলগাজী মাজার ও মসজিদ
 

দিনাজপুর শহর থেকে ৭ কিমি. উত্তরে দিনাজপুর-রংপুর সড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত সাধু পুরুষ চেহেলগাজীর মাজার ও মসজিদ । দিনাজপুর জাদুঘরে সংরক্ষিত এ মসজিদের একটি শিলালিপি থেকে জানাযায় সুলতান রুকনুদ্দীন বারবক শাহর রাজত্বকালে তাঁর উজির ইকরাব খানের নির্দেশে দিনাজপুর পরগনার শাসনকর্তা উলুঘ নুসরতখান এ মসজিদটি ৮৬৫ হিজরি তথা ১৪৬০ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ করেন। চারপাশের দেয়াল ছাড়া বর্তমানে মসজিদটির সবকিছুই ধ্বংস হয়ে গেছে।

মসজিদের আরেকটি শিলালিপি থেকে জানা যায় ১৪৬০ খ্রিস্টাব্দে চেহেলগাজী মসজিদ নির্মাণের সময় মাজারটি সংস্কার করা হয়। জনশ্রুতি আছে ৪০ জন গাজীকে (ধর্মযোদ্ধা) এখানে একত্রে সমাহিত করা হয়েছিল। এজন্য এ স্থানের নাম চেহেল (চল্লিশ) গাজী। দিনাজপুর শহর থেকে বাসে কিংবা রিকশায় আসতে পারেন এখানে

 

 

দিনাজপুর শহর থেকে ২১ কিমি. দূরে কাহারোল থানা কান্তনগর গ্রামে অবস্থিত কান্তজিউ মন্দির। অনেকের মতে কান্তনগরে স্থাপিত বলে এর নাম কান্তজিউ মন্দির। জনশ্রুতি আছে, শ্রীকৃষ্ণ এর বিগ্রহ অধিষ্ঠানের জন্য এ মন্দির নির্মিত হয়েছিল। দিনাজপুর  এর তৎকালীন জমিদার প্রাণনাথ রায় ১৭২২ খ্রিস্টাব্দে পোড়ামাটির অলংকরণ সমৃদ্ধ এই মন্দিরটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। তবে তাঁর জীবদ্দশায় এই মন্দির এর নির্মাণ কাজ শেষ করে যেতে পারেননি। পরে ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে তারই পালকপুত্র রামনাথ মন্দিরের নির্মান কাজ শেষ করেন। এর পরে তিনি এই মন্দিরটি শ্রীকৃষ্ণ এর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন।

স্থাপত্যিক রীতী, গঠন বিন্যাস, শিল্পচাতুর্য মর্ন্দিরটির সামগ্রিক দৃশ্যকে এতই মাধুর্যমণ্ডিত করে তুলেছে যে এর চেয়ে সুন্দর, নয়ননাভিরাম মন্দির বাংলাদেশে দ্বিতীয়টি নেই। শৈল্পিক বিশ্লেষণে প্রায় ৩ ফুট উঁচু এবং ৬০ ফুট বাহুবিশিষ্ট প্রস্তর নির্মিত বর্গাকৃতি সমান্তরাল জায়গার উপর, এই মন্দির দণ্ডায়মান। সৌধ পরিকল্পনায় মন্দিরটি ৩ ধাপে নির্মিত। সামগ্রিক দৃষ্টিতে মন্দিরটি দেখতে সুবৃহৎ রথ এর মতো। ৩ তলা বিশিষ্ট এবং বর্গাকারে নির্মিত মন্দিরের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫২ ফুট এবং উচ্চতা ৭০ ফুট। ১৮৯৭ সালে ভুমিকম্পে কিছু অংশ ভেঙ্গে যাওয়ায় উপরের গম্বুজ ঘরের আকৃতি ধারণ করেছে। ভুমিকম্পে ভেঙ্গে যাওয়ার আগে গম্বুজের উপরে ৯ টি সূদৃশ্য চূড়া ছিল। বারান্দার সামনে রয়েছে ইটের তৈরি দুটি করে স্তম্ভ। এই  স্তম্ভের সাহায্যে দেয়াল এর সঙ্গে প্রত্যেক পাশে সংযুক্ত রয়েছে তিনটি করে খোলা দরজা। দ্বিতীয় তলার দক্ষিণ পাশের দরজা দুটি বেশি লক্ষ করা যায়। এই দরজার পরে ভেতরে মূল কামরা, সেখানে আছে মোট ১৮ টি কক্ষ । বড় কামরাগুলোর চারদিকে আছে ছোট কামরা।

মন্দিরের বেদির নিচে এবং দেয়ালের গায়ে পোড়ামাটি খচিত লক্ষাধিক ছবি রয়েছে। পৌরাণিক চিত্রসংবলিত টেরাকোটা ছাড়াও মন্দিরের দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন মূর্তির টেরাকোটাও রয়েছে। এসব টেরাকোটার মধ্যে নারী-পুরুষ, দেবতা ও কিন্নর, গায়ক ও বাদক, যোদ্ধা ও শিকারি, গৃহিণী, নৌকার মাঝি, নৃত্যরত রমণী, পালকি বাহক, গাছপালা ফল ও ফুল, লতা-পাতা ইত্যাদির ছবি মূর্তমান। কান্তজিউ মন্দিরের পাশেই রয়েছে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত এক চূড়াবিশিষ্ট একটি মন্দির, এটিও নির্মাণ করেন মহারাজা প্রাণনাথ। রাজা প্রাণনাথ এই মন্দির নির্মাণ করে এখানে কৃষ্ণের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন। এই মূর্তি তিনি এনেছিলেন বৃন্দাবন থেকে। এই মন্দিরটির ছিল ১৬ পার্শ্ব সংবলিত সৌধ এবং ৪০ ফুট উচ্চতায়। কান্তজিউ মন্দিরের ঐতিহ্য অনুযায়ী প্রতি বছর রাস পূর্ণিমায় এখানে বসে পক্ষকালব্যাপী মেলা।

দিনাজপুর কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন থেকে পীরগঞ্জের বাসে কান্তনগর নামতে হবে ভাড়া জন প্রতি ২০-২৫ টাকা। সেখানে নেমে ঢেপা নদী পার হয়ে একটু সামনেই মন্দিরটি। শীতের সময় নদী পায়ে হেঁটে পার হতে পারলেও বর্ষায় কিন্তু নৌকায় পার হতে হবে

 

নয়াবাদ মসজিদ

 
 

কান্তজিউ মন্দির থেকে মাইলখানেক দূরে রয়েছে ঐ তিহাসিক নয়াবাদ মসজিদ। তিন গম্বুজ বিশিষ্ট এ মসজিদটি ও কান্তজিউর সমসাময়িক মসজিদ। এ মসজিদটিতে তিনটি প্রবেশপথ এবং একটি মিহরাব রয়েছে। মসজিদের বাইরে চার পাশ সামান্য উঁচু দেয়ালে ঘেরা এবং দেয়ালের ভেতরের খোলা জায়গা পাকা করা। কান্তজিউ থেকে নয়াবাদ মসজিদ যেতে পারেন রিকশা কিংবা ভ্যানে চড়ে।

রামসাগর  
 

দিনাজপুর শহর থেকে ৮ কিমি. দক্ষিণে আউলিয়াপুর ইউনিয়নে অবস্থিত রাম সাগর দিঘি। প্রজাদের সেচ সুবিধা ও জল কষ্ট দূর করতে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে রাজা রামনাথ এ দিঘি খনন করেন। চারপাশের চত্বরসহ এ দিঘির মোট আয়তন প্রায় ৪৩৭৪৯২ বর্গমিটার। মূল দিঘি অর্থাৎ জলভাগের দৈর্ঘ্য ১০৩১ মিটার আর প্রস্থ ৩৬৪ মিটার দিঘির চারপাশে মনোরম বাগান বেষ্টিত শহর থেকে রিকশায় যেতে সময় লাগে প্রায় এক ঘন্টা।

স্বপ্নপুরী  
 

দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ৫২ কিমি. দূরে নবাবগঞ্জ উপজেলার আফতাবগঞ্জে অবস্থিত বেসরকারি পর্যটন কেন্দ্র স্বপ্নপুরী। প্রায় ১৫০ একর এলাকা জুড়ে রয়েছে চিড়িয়াখানা, বাগান, লেক, রেস্টহাউস, বনভোজন কেন্দ্র ইত্যাদি। দিনাজপুর শহর থেকে বাসে সহজেই আসতে পারেন স্বপ্নপুরী।

 
 

Important Tourism Information of Bangladesh

by md. abidur rahman | parjatanbd | A Home of Tourism | Information Written and Managed By : Maksuda Khatun  |  মাকসুদা খাতুন

Hotel of Bangladesh
Details>>

Related Links


Welcome
Address: Mohammadpur, Dhaka-1217
Mobile: , Webmail

All right reserved by : Parjatanbd.com | Design & Developed by : Web Information Services Ltd