Tourism or Parjatan Place of Jessore | Bangla Printing View

Important Tourism Information of Bangladesh

Tourism or Parjatan Information of Jessore, Bangladesh
by md. abidur rahman | parjatanbd | A Home of Tourism
Information Written and Managed By - Kazi Julia Akter  |  কাজী জুলিয়া আক্তার
 

Description AboutTourism or Parjatan Place of Jessore  | যশোরের পর্যটন বা ভ্রমণ স্থান সম্পর্কে বর্ণনা

এ পৃষ্ঠা থেকে ট্যুারিষ্ট বা পর্যটক যশোর জেলার ভ্রমন তথ্য সম্পর্কে অবগত হতে পারবে। যা তাদের ভ্রমনের ক্ষেত্রে কাজে আসবে। শুধু তাই নয় এখনকার প্রতিটি ভ্রমন স্থানের নামের সাথে একটি তথ্যবহুলভিডিও-এর হাইপারলিংক করা আছেযার মাধ্যমে ভিডিও দেখে স্থান সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাবে ও ভ্রমণ সম্পর্কে তারা আগ্রহীহয়ে উঠবে।

হাজী মুহাম্মদ মুহসিনের ইমামবাড়ী
সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নে অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো মূড়ালী ইমামবাড়া। এটি প্রতিষ্ঠা করেন হাজি মুহাম্মদ মুহসীন। ইট নির্মিত আয়তাকার ভবনটি উত্তর-দক্ষিণে ৬০ ফুট ও পূর্ব-পশ্চিমে ৫০ ফুট। ভিতরের অংশ ১০ টি পিলার দ্বারা ৩ সারিতে বিভক্ত। পিলারের পলেস্তারার উপর কালো কালি দিয়ে আরবি লিপিতে আল্লাহ, হাসান লেখা দৃষ্টিনন্দন ক্যালিগ্রাফি রয়েছে। আশুরা উপলক্ষে প্রতি বছর ১০ মহরম এখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য তাজিয়া মিছিল বের হয়।

 

চাঁচরা শিবমন্দির
যশোর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত সপ্তাদশ শতাব্দীতে নির্মিত চাঁচরা শিবমন্দির। পূর্বমুখী মন্দিরটির সামনে শিবসাগর নামে একটি জলাশয় আছে। এক চূড়া বা রত্ন বিশিষ্ঠ এ মন্দিরের সামনের দেয়াল সুন্দর কারুকার্যমণ্ডিত। মন্দিরে প্রাপ্ত একটি শিলালিপি থেকে জানা যায় শ্রী মনোহর রায় নামে এক ব্যক্তি ১৬৯৬ সালে মন্দিরটি নির্মাণ করেন। দীর্ঘকাল জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকার পর সম্প্রতি মন্দিরটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সংস্কার রয়েছে।

 

ভরত ভায়না
জেলার কেশবপুর উপজেলা থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বুড়ীভদ্রা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত একটি প্রত্নস্থল ভরত ভায়না। প্রায় ১২.২০ মিটার উঁচু এ জায়গাটি প্রায় ২৫০ মিটার। ১৯২২ সালে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এটিকে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়। জরিপ পরিচালনা করে প্রত্নতাত্ত্বিকগন মনে করেন পাঁচ শতকের প্রাচীন একটি বৌদ্ধ মন্দির আছে এখানে। ধারণা করা হয় ভরত নামের কোনো এক পৌরাণিক রাজা কর্তৃক এ মন্দিরটি নির্মিত।

 

ভরত রাজার দেউল
ভরত ভায়না থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দক্ষিণে গৌরিঘোনা গ্রামে রয়েছে ভরত রাজার বাড়ি বলে পরিচিত প্রাচীন কিছু স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ। ১৯৫৮ সাল থেকে কয়েকবার খননের ফলে এখানে একটি প্রাচীন স্থাপনার  ধ্বংসাবশেষ উন্মোচিত হয়। যশোর থেকে সাতক্ষীরাগামী বাসে নামতে হবে চুকনগর। সেখান থেকে রিকশা কিংবা সাইকেলে চড়ে যাওয়া যাবে গৌরিঘোনা।

 

মাইকেল মধুসূধন দত্তের বাড়ি
১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি তিনি এ বাড়িতেই জন্মগ্রহন করেন। কয়েকটি পুরোনো দ্বিতল ও একতল ভবন আছে এ বাড়িতে। বর্তমানে এ বাড়িতে একটি জাদুঘর ও গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জাদুঘরে আছে কবি পরিবারের ব্যবহৃত খাট, আলমারি, চেয়ার-টেবিলসহ নানান আসবাবপত্র। দত্ত বাড়ির মধুসূধন একাডেমিতেও প্রদর্শিত হচ্ছে কবির স্মৃতিময় নানান নিদর্শন। কবির জন্মদিনে প্রতি বছর সাগরদাঁড়িতে বসে লোকজ মেলা-মধুমেলা। নানা ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন থাকে এ মেলাকে ঘিরে। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের একটি মোটেলও আছে সাগরদাঁড়িতে। যোশর সড়ক থেকে সরাসরি সাগরদাঁড়ি যাওয়া যায়।  

 

শেখপুর জামে মসজিদ
মধুসূধন দত্তের বাড়ি যাবার পথে সাগরদাঁড়ি গ্রামের সড়কের পশ্চিম পাশে রয়েছে পুরোনো একটি মসজিদ। এ মসজিদেই বালক বয়সে ফারসি ভাষা শিখতেন মাইকেল মধুসূধন সত্ত। আঠারো শতকে সৈয়দ পীর রিয়াজ তুল্লা মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদের সামনেই রয়েছে তাঁর সমাধি।

 

কেশবপুরের কালোমুখ হনুমান
জেলার কেশবপুর উপজেলার বহুদিনের পুরোনো ঐতিহ্য কালোমুখ হনুমান। কেশবপুরের বিভিন্ন জায়গায় এসব হনুমান মানুষের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করে।

 

নকশি কাঁথার গ্রাম পান্থপাড়া
যশোর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দূরে খাজুরা বাজারের কাছেই একটি গ্রাম পান্থপাড়া। এখানে গেলে গ্রামজূড়ে চোখে পড়বে কর্মব্যস্ত গৃহবধূদের। সুঁই-সুতা দিয়ে সূক্ষ হাতে লাল নীল কাঁথার জমিনে যারা ফুটিয়ে তোলেন বাংলার রূপ আর সংস্কৃতি।

 

জামতলার রসগোল্লা
যশোরের শার্শা উপজেলার জামতলার রসগোল্লার সুনাম দেশজুড়ে। সাদেক গোল্লা নামেও অনেকে জানেন মুখরোচক এ মিষ্টান্নকে। প্রায় ৫০ বছর আগে জামগাছের নিচে একটি বাজার গড়ে ওঠে এ এলাকায়। ঐ জামগাছের নিচেই ছিল সাদেক আলীর চায়ের দোকান। জনশ্রুতি আছে সাদেক আলীর কাছে কিছু সময়ের জন্য আশ্রয় নেয়া এক আগন্তুক তাকে এই মিষ্টান্ন তৈরির পদ্ধতি শিখিয়ে দেন। দিনে দিনে তাঁর রসগোল্লার সুনাম যশোর ছাড়িয়ে দেশের আনাচে-কানাচে পৌঁছে যায়। সাদেক আলী বেঁচে নেই। জামতলা বাজারে এখন প্রায় ১৫ জন ব্যবসায়ী তৈরি করে চলেছেন সাদেক আলীর উদ্ভাবিত সেই রসগোল্লা।

 

 

 

 

 

 

 

Welcome