Communication Information of Tourism or Parjatan Place of Khulna | Bangla Printing View

Important Tourism Information of Bangladesh

Tourism or Parjatan Communication Information of Khulna District, Bangladesh
by md. abidur rahman | parjatanbd | A Home of Tourism
Information Collected By :  

Beautiful Khulna  | Description | Bangla  | English | Spanish | Tourism Information |   Union Weblink | Communication | Famous Local Food

Link of Communication Information

Barisal | Chittagong  | Dhaka | Khulna | Mymensing 
Rangpur | Rajshahi | Sylhet

Bangla | English

 
বাংলাদেশের খুলনা জেলার ভ্রমণ স্থানের যোগাযোগের বর্ণনার লিংক এখানে দেয়া আছে। ভ্রমণকারী ভ্রমণ স্থানে ভ্রমণ করতে ইচ্ছে পোষণ করলে এখান থেকে তথ্য নিয়ে ভ্রমণ করতে পারবে। এর ফলে রওনার পৃর্বেই তারা সে স্থানের যাতায়াত সম্পর্কে অবগত ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে। তথ্যই সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার মূল সহায়ক।

 

ভ্রমণ স্থানের নাম ভ্রমণ স্থানে যাওয়ার বর্ণনা বা কিভাবে যাবেন
বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুর বাড়ি, দক্ষিণ ডিহি
খুলনা থেকে বাসে ফুলতলা উপজেলায়, এরপর সেখান থেকে অটোরিক্সায় বা অটোতে  যাওয়া যাবে।
বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের বসতভিটা (পিঠাভোগ)
খুলনা থেকে বাসে রূপসা উপজেলায়, এরপর সেখান থেকে স্থানীয় যানবাহন যাওয়া যাবে।
চুকনগর বদ্ধভূমি
খুলনা শহর হতে বাস  অথবা মাহেন্দ্রতে চুকনগর বদ্ধভূমি যাওয়া যাবে।
স্যার পি.সি. রায়ের বাড়ি
খুলনা থেকে বাসে পাইকগাছা যাবার সময় রাড়ুলী পাইকগাছা সংযোগ সড়কে নামতে হবে, এরপর সেখান থেকে রিক্সা বা অটোরিক্সায় যাওয়া যাবে।
রূপসার পাড়ে খান জাহান আলী সেতু
খুলনা শহর হতে ইজিবাইক বা রিক্সাতে খানজাহান আলী সেতু যা্ওয়া যাবে।
কবি কৃষ্ণচন্দ্র ইনস্টিটিউট
খুলনা জেলা হতে বাসে বা নদী পথে সেনহাটি বাজার, এরপর দিঘলিয়া উপজেলা থেকে ভ্যানে বা ইজিবাইকে সেনহাটি বাজারে এসে কবি কৃষ্ণচন্দ্র ইনস্টিটিউট আসা যাবে।
সুন্দরবনের করমজল
করমজলে নৌপথ ও সড়ক পথে সহজেই ভ্রমন করা যাবে । দাকোপ উপজেলা সদর হতে করমজলের দুরত্ব ৩০ কি:মি:, খুলনা জেলা শহর হতে ৫৫ কি:মি:।
রূপসা নদীর তীরে ৭ বীরশ্রেষ্ঠর মধ্যে অন্যতম রুহুল আমিন
খুলনা হতে বাসে রূপসা উপজেলায়, এরপর স্থানীয় যানবাহনে বাগমারা গ্রামে যাওয়া যাবে।
সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট
রাতে ও সকালে লঞ্চে খুলনা লঞ্চঘাট খেকে সুন্দরবনের হিরণপয়েন্ট যাওয়া যাবে। 
গল্লামারী বধ্যভূমি
খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড হতে রিক্সা বা অটোরিক্সায় যাওয়া যাবে।
সুন্দরবনের দুবলার চর
রাতে ও সকালে লঞ্চে খুলনা লঞ্চঘাট হতে সুন্দরবনের দুবলার চর যাওয়া যাবে। 
শিরোমণি স্মৃতিসৌধ
খুলনা হতে বাসে ফুলতলা যাবার পথে শিরোমনি বাসস্ট্যান্ড, এরপর স্থানীয়  যানবাহনে যাওয়া যাবে।
সুন্দরবনের কটকা
খুলনার লঞ্চঘাট হতে লঞ্চে কটকা, এরপর রাতে ও সকালে লঞ্চ যাও য়া যাবে।
সুন্দরবন
রাতে ও সকালে খুলনা লঞ্চঘাট খেকে লঞ্চে সুন্দরবন যাওয়া যায়। অন্যদিকে খুলনা খেকে বাসে কয়রা, এরপর সুন্দরবন যাওয়া যাবে।
 

 

 

 

Welcome